সোমবার, ২২ Jun ২০২৬, ০১:৫৯ অপরাহ্ন
বিশ্ব রাজনীতির এখনকার আলোচনার বিষয় রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন ও উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন। তাদের বৈঠক নিয়ে চলছে তোলপাড়। এরই মধ্যে নিজের বিশেষ ট্রেনে প্রতিবেশী দেশে ঢুকেও পড়েছেন কিম। সঙ্গে আলোচনায় আছে বিশেষ ট্রেনটি।
সংবাদ সংস্থাগুলো বরছে, ট্রেনে বিদেশ সফর উত্তর কোরিয়ার নেতাদের বিশেষ এক ঐতিহ্য। এ দফায় কিম এক হাজার ১৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ যাত্রাটি শেষ করেছেন ২০ ঘণ্টারও বেশি সময়ে।
বিশেষ এ ট্রেনের নাম তাইয়াংহো। সূর্যকে কোরিযান ভাষায় এ নামে ডাকা হয়। যা মূলত উত্তর কোরিয়ার প্রতিষ্ঠাতা কিম ইল সুং-এর প্রতীকী উল্লেখ।
ট্রেনটির গতিবেগ ঘণ্টায় মাত্র ৫০ কিলোমিটার। কারো কারো মতে, ৫৯ কিলোমিটার। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, তাইয়াংহো অন্যান্য উচ্চ গতিসম্পন্ন ট্রেনের তুলনায় অনেক ভারী। সাঁজোয়া সুরক্ষা এর কারণ।
২০০৯ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ কোরিয়ার দৈনিক চোসুন ইলবোর প্রতিবেদনে বলা হয়, সাঁজোয়া ট্রেনটিতে প্রায় ৯০টি বগি রয়েছে। হলুদ-সবুজ যানটিতে আছে কনফারেন্স রুম, দর্শক চেম্বার ও শয়নকক্ষ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রেনটিতে একটি রেস্তোরাঁ রয়েছে। যেখানে চমৎকার ফ্রেঞ্চ ওয়াইন ও তাজা গলদা চিংড়ির মতো খাবার পরিবেশন করা হয়।
হাল আমলে রাষ্ট্রপ্রধানদের জন্য বরাদ্দ থাকে নানান সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত উড়োজাহাজ। সেখানে কিম জং উন ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন। দূরপাল্লার ভ্রমণে ট্রেনের ব্যবহার শুরু করেন তার দাদা কিম ইল সুং। যিনি ভিয়েতনাম ও পূর্ব ইউরোপ ভ্রমণে নিজের ট্রেন নিয়েছিলেন।